ADVERTISEMENT
[ 💻 Desktop 728x90 Top Sticky Floating Ad Slot ]
[ 📱 Mobile 320x50 Top Sticky Floating Ad Slot ]
AD [ 160x600 Left Ad ]
AD [ 160x600 Right Ad ]
FLASH
Watch latest HD Hollywood, Bollywood, Dual Audio movies and TV series online...
LIVE STREAM

Search Movies

SPONSORED [ 🎯 In-Post Top Banner Ad (728x90 / Responsive) ]

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া


রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

রাত পৌনে ১১টা পর্যন্ত দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে ছিল। ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন, অন্যদিকে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা পার্কের মোড় সংলগ্ন মসজিদের সামনে অবস্থান করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

যেভাবে সংঘর্ষের সূত্রপাত

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির ‘জুলাই জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করে। সেখানে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড (জুডিশিয়াল কিলিং)’ শিরোনামে কয়েকজনের ছবি প্রদর্শন করা হয়।

ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, ওই প্রদর্শনীতে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী হিসেবে পরিচিত কয়েকজনের ছবি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছবির পাশে রাখা হয়েছিল। এ নিয়ে তারা আপত্তি জানিয়ে ব্যানার অপসারণের দাবি করলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে।

ছাত্রশিবিরের বক্তব্য

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের দপ্তর সম্পাদক শিবলী সাদিক দাবি করেন, তারা প্রদর্শনীতে যেসব ছবি প্রদর্শন করেছিলেন, সেগুলো সরিয়ে ফেলার জন্য ছাত্রদল চাপ সৃষ্টি করে।

তার ভাষ্য, তারা ছাত্রদলকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করতে বললেও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাদের সভাপতির ওপর হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে প্রক্টরের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও ছাত্রদলের একটি অংশ পুনরায় হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে তারাও প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বলে দাবি করেন তিনি।

ছাত্রদলের বক্তব্য

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইয়ামিন বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী হিসেবে পরিচিত গোলাম আজম, কাদের মোল্লা ও নিজামীর ছবি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছবির পাশে প্রদর্শন করা হয়েছিল। তারা এসব ছবি অপসারণের অনুরোধ করলে ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা চেয়ার নিক্ষেপ ও ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। এতে ছাত্রদলের একজন কর্মী আহত হন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ছাত্রশিবির ক্যাম্পাসের বাইরের নেতা-কর্মীদের এনে হামলা চালিয়েছে। তার দাবি, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই আন্দোলনের বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

প্রশাসনের অবস্থান

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ফেরদৌস রহমান বলেন, সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হবে। এরপর তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন কাজ করছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের বক্তব্য

রংপুর মেট্রোপলিটনের তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তার ভাষ্য, বর্তমানে ক্যাম্পাসে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দুই সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়ানো যায়।

পরিস্থিতি এখন

সোমবার রাত পর্যন্ত ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় কারা দায়ী, তা নির্ধারণে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রস্তুতি চলছে। তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

You May Also Like

ADVERTISEMENT [ 🎯 In-Post Download Area Ad (300x250) ]
Home
Menu
Search
Theme
Top